
বাংলাদেশে গারো সমকামী পুরুষ অবশ্যই আছে ৷ তবে, তাদের সংখ্যা একেবারেই কম ৷ সম্ভবত হাতেগোণা দশ থেকে পনেরোজন হবে ৷ এরমধ্যে মোটামুটি দশ-বারোজনের সাথে আমার চেনা-জানা আছে ৷ ইন্ডিয়ার কিছু সমকামীর সাথেও কথা হয়েছে ৷ তাদের সংখ্যাও খুব একটা বেশি না ৷ বাংলাদেশের বা ইন্ডিয়া যেখানেরই হোক, সব গারোই পরিচয় প্রকাশে আগ্রহী না ৷ বিশেষ

It was a busy day. After the evening shift, I took a bus to come home as usual. It was a normal day as always. Ten minutes later a guy sat next to me. I don’t usually talk to strangers on the bus. But he was in the same profession as me. The same age

মুখবন্ধ ইনজেব চাকমা বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষেরও অধিক আদিবাসীর বসবাস যাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি থাকা সত্ত্বেও লিখিতভাবে উপজাতি, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী এই নামে অভিহিত করা হয়। যুগ যুগ ধরে একটা নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাস করে আসলেও সে ভূখণ্ড আজ কিছু সুবিধাবাদী বৃহৎ নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক গ্রাস হতে হতে নিশ্চিহ্ন হবার পথে। সংখ্যালঘু বলেন আর প্রান্তিক জাতি বলেন আমাদের অস্তিত্ব আজ

চিত্তি চাকমা আমার বেড়ে ওঠা চাকমা সম্প্রদায়ের মধ্যবিত্ত পরিবারে। যেখানে বাবা-মা আর পরিবারের সকলকে নিয়ে আনন্দে দিন কেটে যেত। যেদিন থেকে বোধজ্ঞান উৎপন্ন হলো তখন থেকে বুঝতে পারলাম পরিবারের মাঝে যে টান, ভাইবোনদের প্রতি যে ভালোবাসা তা অতুলনীয়। যে যেমনই হোক তাকে সেভাবে মানিয়ে নেয় পরিবারের লোকজন। যদিও সমাজের কিছু লোক আছে যারা সারাক্ষণ অন্যের

Green_Bug ভালোবাসা কাকে বলে? আসলে এর সংজ্ঞাটাই বা কি? হয়তো এর কোন সার্বজনীন উত্তর নেই। একেকজনের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর একেকরকম। তবে অধিকাংশ মানুষই হয়তো বলবে ভালোবাসার জন্য অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা সহ্য করা কোন কষ্টের বিষয় না। ভালোবাসার মানুষের হাসিমাখা মুখটার দিকে তাকালে হয়তো সেই ত্যাগগুলোকে নিয়ে হতাশা আর আক্ষেপের জায়গায় মনে আনন্দই বরং কাজ করে।

ইনজেব চাকমা শহরের পাহাড় ঘেরা এক সরু রাস্তা বরাবর গাছপালা, লতা-পাতা, ফুল-ফলের সাথে কথা বলতে-বলতে হাঁটছে ইজোর। বড়ই প্রকৃতি-প্রেমী মন তার। পাহাড় ও সবুজে ঘেরা চট্টগ্রাম শহর। অথচ আষাঢ়ের আগমনেও গ্রীষ্মের তাপ-দাহ কমেনি। প্রচণ্ড গরমের মাঝে আজকের আবহাওয়াটা বেশ স্নিগ্ধ। তাই আজ বেশ খোশমেজাজ তার। চলতে চলতে হঠাৎ দমকা হাওয়া সমেত বৃষ্টি এসে পুরো ভিজিয়ে

চিত্তি চাঙমা আজ ১৭ই নভেম্বর। দিনটি পহরের জন্যে বিভীষিকাময় হয়ে আছে। জীবনের প্রতি অনীহা, জগতের প্রতি ক্ষোভ, সৃষ্টিকর্তার নিকট অভিযোগ নিয়ে, তবুও চলতে হচ্ছে সময়ের চক্রবূহ্যে আবদ্ধ হয়ে। পদে পদে অপূর্ণতা, সবকিছু যেন অপ্রাপ্য। তারপর বসে থাকে হিজিং- এর ফেরার পথ চেয়ে। এই এলো বলে! টুং একটা শব্দে হারিয়ে যাওয়া অবচেতন থেকে ফিরে আসে সে।

মুখবন্ধ লিখেছেন ফ্লিন রাইডার আপনারা হয়তো অনেকে জানেন যে, ২০১৬ সালের ২৫শে এপ্রিল আততায়ীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন কুইয়ার এক্টিভিস্ট মাহবুব রাব্বি তনয় এবং জুলহাজ মান্নান। আজ ৫ বছর পেরিয়ে গেছে। কুইয়ার তরুণ অনেকই আছে যারা জানে না- ২০১৬ সালে ২৫শে এপ্রিল আমাদের কুইয়ার কমিউনিটির সাথে কি ঘটেছিল। এই ৫ বছরে পরে এমন একটা সময়ে

লিখেছেন আলবাট্রস জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব রাব্বি তনয়কে যেদিন হত্যা করা হয়, সেদিন আমি ঘটনাস্থলের খুব কাছাকাছিই ছিলাম। আমি তখন একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি। বিশ্ববিদ্যালয়টি যেখানে অবস্থিত তার পাশের গলিতেই থাকতেন জুলহাজ। জুলহাজের বাসার সামনে দিয়েই আমি প্রতিদিন দু’বার আসা যাওয়া করতাম। কিন্তু ঢাকা শহর এমন আজব একটা জায়গা যেখানে মিডিয়াতে খবর না আসা

লিখেছেন নিঃশব্দ বৃষ্টি ঠিক সন্ধ্যার মুখে, ফোনটা বেজে উঠলো, ধরতেই ওপাশের উত্তেজিত কণ্ঠস্বরঃ “তুমি কোথায়? বাসায়ে যাও! এখুনি! বাসায় গিয়ে নিউজ দেখো। আমি পরে কল দিচ্ছি।” একটু বিভ্রান্ত হয়েই ফেসবুকে ঢুকলাম। খবরটা খুঁজে পেতে বেশী একটা সময় লাগেনি; অনেকেই খবরটি শেয়ার করছে- নিজের বাড়িতে হত্যা হয়েছে আরেকজন। কিন্তু এবারের খবরের সেই মানুষটা আমার পরিচিত। খুব