
আ.আ ‘যে ভালোবাসে, তাহাকে ঘৃণা করার অপবাদ দেওয়ার মত গুরুতর শাস্তি আর নাই, এ কথা ভালোবাসাই বলিয়া দেয়’। শরৎচন্দ্রের কথা দিয়েই শুরু করি। আমার মনে হয় আমার এই ছোট জীবনে সত্যিকার অর্থে শুরু হয়েছে নিজের সত্ত্বা’কে স্বীকার করে। আসলেই কি তাই নাকি সব কিছু ভুল? আমার মধ্যে এত হতাশা কেন? ছবি তুলতে গেলেই সবার কষ্ট

এম ডি রহমান আলস্য দুপুর, টেবিলে বসে পা নাচাতে নাচাতে বই পড়ছি। ইদানীং প্রতিদিনকার রুটিন একই রকম ঘুম, খাওয়া, বই পড়া, মুভি দেখা আর ঘরের মেঝে পরিষ্কার করা৷ লকডাউনের এই সময়টাতে প্রতিদিনই আমি ঘরের মেঝে পরিষ্কার করি যা আগে একদমই করা হতো না। সারাদিন খুঁজেও আর কোন কাজ পাইনা৷ নানান বাহানায় দুইদিনে একবার বাসার বাইরে

মনিকণ্ঠ তথাকথিত ধর্মীয় অনুভূতি এবং ব্যক্তিগত লিঙ্গ ও যৌন সত্তার মধ্যে দোটানায় পড়েননি এমন লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় ব্যক্তির সন্ধান প্রায় অসম্ভবই ব্যাপার। সাধারণত এই সংকটপূর্ণ অবস্থায় একজন ব্যক্তির তিনদিকে ধাবিত হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে, (১) ধর্মকে স্বীকার না করা (২)ধর্ম এবং লিঙ্গ বৈচিত্র্যতাকে একইসাথে ধারণ করা এবং (৩) নিজের লিঙ্গ ও যৌন বৈচিত্র্যময়তাকে অস্বীকার করার কথা

ঠরণà§à¦¯à¦°à¦¾à¦¤à§à¦°à¦¿ খুব সংক্ষেপে যদি বলা হয় ট্রান্সজেন্ডার মানুষের প্রতি নেতিবাচক ধারণা, অমূলক ভয় এবং ঘৃণা কে ট্রান্সফোবিয়া বলে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে জীবনের প্রতি ধাপে ধাপে ট্রান্সজেন্ডার মানুষেরা ট্রান্সফোবিয়ার শিকার হয়। আর সমস্ত পৃথিবীর দিকে তাকালে বলা যায় অনেক উন্নত দেশেও এখনো ট্রান্সজেন্ডার মানুষ রা অবহেলিত হচ্ছে এবং সমান অধিকার পাচ্ছে না। আমাদের দেশটা খুব রক্ষণশীল।

ছোটন জর্জিন ডেভিসের বয়স ৩৫ বছর, তিনি নিজেকে একটা মেয়ে হিসেবেই জানতেন। তার শারিরীক বৈশিষ্ট্যও নারীর সুলভ। কিন্তু যখন সে ২০ বছর বয়সের একজন তরুণী,ঠিক তখনই তিনি নিজের মেডিকেল রেকর্ড দেখে হোঁচট খেলেন কারণ মেডিকেল রেকর্ড অনুযায়ী সে একজন পুরুষ। তার দেহের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বা দেহ কোষে Y ক্রোমজমের অস্তিত্ব আছে। যখন জর্জিন ১৩

এম ডি রহমান অনলাইনে প্রায় একটি কৌতুক শেয়ার হতে দেখি অনেকটা এরকম ‘১৮ কোটি মানুষের দেশে সবাই যেন পরাগায়নে জন্মগ্রহণ করেছে’ যৌনতা নিয়ে মানুষের সংকীর্ণতার কারণে এধরনের কৌতুকের আবির্ভাব হয়েছে। বাংলাদেশে যৌনতা নিয়ে কথা বলাটাকে অনেক বেশি অরুচিকর ভাবা হয়। এখানে যৌন শব্দটাই একটা ‘ট্যাবু’। এই পরিবেশে যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলাটা খুব একটা

অশ্বিনী বিলুপ্তি ঠেকাতে দেশি সবজির বীজ সংরক্ষণ করে চলেছেন সাতক্ষীরার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষাণী অল্পনা রানী মিস্ত্রি৷ বিবিসি নিউজে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন ‘সব দেশী বীজ তো হারিয়ে যাচ্ছে, দেশি বীজ না রাখায় আমরা কোম্পানীর কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। প্রতি বছর আমরা কোম্পানির কাছে যাচ্ছি, বীজ ফুটলো না, দ্বিতীয়বার আবার কোম্পানির কাছে যাচ্ছি।’ ইকোফেমিনিজম কৃষকের স্বনির্ভর

লিখেছেন অরণ্য দেব পশ্চিমের প্রাচ্য থেকে ইসলাম এ দেশে আসতে আসতে বারবার ঠোকর খেয়েছে কিছুটা কিন্তু কিছুটা দ্বন্দ্বে পড়ে গেছে এ দেশে এসেই। হাজার বছর ধরে চলা বাঙ্গালি সংস্কৃতির সাথে হয়ত কিছুটা সামঞ্জস্য করে নেবার চেষ্টা ছিলো। কিন্তু ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গকালীন সময়ের রাজনৈতিক পট১ পরিবর্তনের কারনে সামাজিক এই দুই ধারার যে বিপরীতগামিতা শুরু হয়েছিল তা

ন্যারেটিভ : লিওন খান আমি ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের মতো পোশাক পরতাম চুল ছোট রাখতাম কারণ আমার পরিবার আমার এই প্রকাশভঙ্গি নিয়ে কখনো বাধা দেয়নি। আমার ভালো লাগতো ছেলেদের মতো চলা ফেরা করতে কিন্তু এটার কারণ কী সেটা জানতে পারি অনেক পরে, যখন আমি এসএসসি পাস করি তখন বুঝতে পারি যে আমার জন্য আসলে ছেলেদের রুপটাই

রাহুল সেন “সপ্ত বধূ মধু কলস কাঁধে শীলের পড়ে মাটির ভান্ড রাখে দাঁড়ায় শীলে পায়ের পারা দিয়া নিজের কপাল নিজেই ভাঙ্গে মাইয়া” (বাড়িওয়ালি, ২০০০) বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারে “ঋতুপর্ণ” বরাবরি এক উপমা। আমাদের বয়ঃসন্ধিকালে, যে সময় থেকে ঋতুপর্ণ খ্যাতি অর্জন শুরু করলেন, এবং তার পরেও তাকে নিয়ে নানা মত, নানা বক্তব্য শুনে এসেছি – তার মধ্যে