
লেখক- সূর্যদীপ্ত নাগ আজ থেকে প্রায় বছর পনেরো-ষোল আগে বাবার মন রাখতে ডাবলুবিসিএস পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সেজন্য একটা সংস্থায় সমাজতত্ত্ব এবং অর্থনীতি নিয়ে পড়েওছিলাম কিছুটা। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লাইনে যাবার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না বলে পরীক্ষাটা মন দিয়ে দিই নি ঠিকই, কিন্তু সেই পড়াশোনা বেশ কাজে এসেছে আমার। তা যাইহোক, একদিন অর্থনীতির ক্লাসে ভারতবর্ষের ব্যকওয়ার্ডনেসের কারণ

১ এটা ঠিক যে আন্দোলন ছাড়া কখনো কোন অধিকার আদায় হয়নি। কিন্তু অধিকারের আন্দোলনের জন্য পায়ের তলার শক্ত মাটি থাকা চাই। পাশাপাশি এটা ঠিক যে বড় কোন মুভমেন্টের ক্ষেত্রে যাদের অংশগ্রহণ বেশি থাকে তাদের বেশির ভাগই মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত। উচ্চবিত্তরা কখনো সর্বস্তরের মুভমেন্টে অংশগ্রহণ করে না। তাই পৃথিবীতে যত আন্দোলন সংগ্রাম ঘটেছে তার নেতৃত্বে ছিলো

বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? এই গল্প তো কমবেশি সবাই পড়েছেন! বেড়ালের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য ইঁদুর নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বেধে দেবে কিন্তু এক বিচক্ষণ ইঁদুরের ছোট্ট একটি প্রশ্নে সমস্ত সভাসদ থামকে গিয়েছিল। হ্যাঁ, সেই প্রশ্নটিই ছিল “বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাধবে কে”? বর্তমানে LGBTQI অধিকার আন্দোলনের অবস্থাও গল্পের সেই ইঁদুরদের মতোই। সবাই

বাংলাদেশের সমকামী সমাজের অভ্যন্তরীন অনেক আলোচনার বিষয়ের মধ্যে অন্যতম “এলিট ক্লাস” | কিন্তু পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ বিষয়ে কেউই সরাসরি বা মুক্ত আলোচনায় আগ্রহী নয় | তবে এ বিষয়ে আলোচনার যে প্রয়োজন হয়েছে তাতে কারোরই কোনো দ্বিমত নেই | অভিধান অনুসারে, এলিট ক্লাস বলতে সচরাচর একটা ছোট গোষ্ঠীকে বোঝায় যারা কোন সমাজে তুলনামূলকভাবে অন্যদের থেকে

Writer- Mohabbatjaan In the beginning of the construction of gender and sexuality. There were three hermaphrodites. Both with half male, half female. Then Zeus cut off two hermaphrodites and exchanged with each other. Two male parts as one complete Male and other one complete female. And they were told to complete each other with the

Written by Saad Khan In 2011, a cover story titled Introduction to women, gender and sexuality studies appeared in a youth magazine of the largest English daily in Bangladesh. The author had just returned to Bangladesh after an exchange program in the US, funded by the State Department, and joined a newspaper to work as a journalist.

লেখকঃ Living Large in the Boxes “এটাই কি তাহলে বাংলাদেশ? এর ভবিষ্যৎ কি হবে? নাউজুবিল্লাহ! দেশটা এতোটা নিচে নেমে গেলে কেমনে কি? আগামীতে আপনার ছেলে মেয়েরাও যে এদের দারা প্রভাবিত হবেনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? তোরা কেন এমন করিস? বে অব বেঙ্গল কে ডেড সি বানাবি আল্লাহ তুমি কি আছ? এদের সবাইকে ধরে লিঙ্গ কর্তণ করে হিজড়া বানিয়ে হাতে চুড়ি পরিয়ে গলায় ঢোলবেধে শাহাবাগে বসিয়ে জুতা পিটা করতে হবে, এরাই এদেশের আবহমান আমাদের বাঙালী সংস্কৃতিকে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে রূপান্তরিত করতে চায়। এদেরকে এখনি প্রতিহত করতে হবে। গে কুত্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই জুতা পেটা করতে হবে। কয়েকদিন আগেই একটাকে রামধোলাই দিয়েছিলাম। একটা বেটা কুকুর ও তো অন্য একটা বেটা কুকুরের সাথে শারীরিক ভাবে মিলিত হয়না। হাত পা বেধে এদের ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া দরকার। পাবলিক কি খালি পায়ে ছিল? কারো পায়ে জুতা বা সেন্ডেল ছিল না? কুকুরগুলোর চেহারা দেখে রাখতে পারলে ভাল হতো। ওখানে যারা ছিলো, ছেলেরা জারজ, আর বেহায়া মাইয়া গুলি বেশ্যা, এদের উপর আল্লার গজব পড়া উচিৎ, দেশটাকে নোংড়া করে ফেলল। এইসব লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের কি কমু, বাইঞ্চোদ সব। খানকির পুতের দেশে মাগির পুতের বসবাস। মুসলমানদের মাটিতে ওরা এত সাহস পায় কিভাবে? কুত্তাগুলারে ব্রাশ ফায়ার করে আগুনে পুড়িয়ে মারা উচিত। আল্লাহ তুমি এদের ধ্বংস কর। আমিন।।” পহেলা বৈশাখে কিছু মানুষ একটা র্যালি করেছে। বৈচিত্র্য উদযাপনের জন্য ষড়ঋতুর ছয়টি রং ব্যবহার করা হয়েছে। এতেই অনলাইন পত্রিকাগুলোর মন্তব্যে সবার যে মনোভাব আর ঘৃণা দেখছি তাতে মনেহচ্ছে অশ্লীল কথাবার্তার মাধ্যমে নিজেদের ঘৃণা জাহির করতে পারাটাই আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির অনেক বড় একটা মূল্যবোধ। তাই সবাই গালি দিয়ে

লেখকঃ সাখাওয়াত হোসেন রাজীব প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের ঘেটুপুত্র কমলা ছবিটিতে বিত্তবান জমিদার যখন দরিদ্র ঘেটুপুত্র কমলাকে তার কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং কিছুক্ষণ পরেই কমলার ‘মা’ বলে আর্তচিৎকার শোনা যায়, তখন শুনেছিলাম হলভর্তি দর্শককেও ঘৃণা আর লজ্জায় ফিসফাস করে উঠতে। এই গুঞ্জন পরে কলরব হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল মূলধারার বিতর্কে । আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছিল ছবির মূল

সেই ছোট্টবেলায় যখন প্রথম ‘খেলনা’ জিনিসটার সম্পর্কে ধারণা হয়, তখন থেকেই কেন যেন আমার জন্মগত লিঙ্গ পরিচয়ের সঙ্গে মিল রেখে পুতুল কিংবা হাড়ি-পাতিলের দিকে আমার দৃষ্টি যায়নি! সব ধরনের খেলনা গাড়ি আর পিস্তল-ই ছিল আমার আকর্ষণের কেন্দ্রস্থল। আজ এত বছর পরে এসেও সেই আকর্ষণের কোন পরিবর্তন হয়নি, সেই গাড়ি গাড়িই আছে সেই পিস্তল পিস্তলই আছে!

লেখক :- অনির্বাণ আহমেদ ২২ অক্টোবার ২০০৯, ব্রিটেনে বিবিসির অফিসের সামনে হাজারো যুবকের বিক্ষোভ পুলিশের সাথে সংঘর্ষ। কড়া পুলিশি পাহাড়ায় “বিবিসি কোশ্চেন টাইম” অনুষ্ঠানে প্রবেশ করলো ‘নিক গ্রাফিন’। যিনি মনে করেন কালো চামড়ার মানুষদের ব্রিটেনে বসবাস করার কোন অধিকার নেই। সেইদিন সেই অনুষ্ঠানে নিজের অবস্থান আরো দৃড়ভাবে প্রকাশ করলেন বিএনপি “ব্রিটিশ ন্যাশন্যালিস্ট পার্টি” এর এই