
আমরা এমন একটি দেশে থাকি যেখানে এলজিবিটিকিউ কমিউনিটির প্রতিটি সদস্য কোন না কোন ধর্মের অনুসারী৷ তাই আমরা চাইলেও আমাদের জীবন থেকে ধর্মের প্রভাবকে অস্বীকার করতে পারি না। আজ আলোচনা করব আমাদের জীবনের সেই অধ্যায়টি নিয়ে যেই সময়টাতে আমাদের প্রথম উপলব্ধি হয় যে আমরা সমকামী এবং এর ফলস্বরূপ আমাদের একটা মানসিক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

অনলাইনে হাতেগোনা যে কয়টা জায়গা আছে যেখানে আপনি একজন এলজিবিটি+ (LGBTQIA+) এর সদস্য হিসেবে নিজের কথা অন্য অনেককে জানাতে পারবেন, এমন পেইজে/স্পেসে প্রতিনিয়তই কতিপয় বিশুদ্ধ হোমোফোবিক মানুষজনের দেখা পাওয়া যায়। তন্মধ্যে কয়েকজনের প্রোফাইল ঘুরলে মনে হবে হোমোফোবিয়াটা যেন তাদের নিজ পরিচয়েরই অংশ। তাদের বায়োতে “হোমোফোবিক/ট্রান্সফোবিক” লেখা, প্রোফাইলে কুখ্যাত ধর্ম-ব্যবসায়ীদের কথা-বার্তা, এন্টি-এলজিবিটি সম্পর্কিত পোস্ট/মিমস এবং আরো

প্রাক-ঔপনিবেশিক তাগালগ সমাজ এবং ফিলিপাইনের অন্যান্য অংশে দুটোর বেশি লিঙ্গের ধারণাটি স্প্যানিশদের আগমনের আগে থেকেই সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ভাবে গৃহীত ছিল। তৎকালীন সময়ে এমন ব্যক্তিদের উল্লেখ পাওয়া যায় যারা পুরুষের যৌনাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তবে সমাজে তাদের নারী হিসেবেই বিবেচনা করা হতো। মেয়েদের মতো পোশাক পরিধান এবং তাদের সাথে ক্ষেত বুনন ও চাষ করার সাথে

অনুভূতির গহীনে শব্দের আনাগোনা মুল্যহীন। আমরা সবাই আমাদের মত করে অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম বেছে নেই। কিন্তু আমাদের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, অভিজ্ঞতার পরিমাপ হিসেবে শব্দের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। শব্দের সাথে আবেগের মেলবন্ধনের এই যে প্রক্রিয়া, এর মধ্য দিয়ে নিজেকে জানা, নিজের সাথে বোঝাপড়া, অনুভূতির সরু অলিগলিতে যাতায়াত হয়ে ওঠে সহজতর। শব্দ আমাদের নিয়ে যায় এমন এক জগতে যেখানে