
আগে থেকেই সব ইন্সট্রাকশন্স দেয়া ছিল। গ্যাব্রিয়েলকে বলেছিলাম যাওয়ার সময় যেন সদর দরজা খোলা রেখে যায়। ফয়ের পার হয়ে ডানে গেলে লিভিং স্পেস – ড্রয়িং, ডাইনিং আর কিচেন। বাঁ পাশের দরজা দিয়ে এগোলে বেডরুম। ওকে বলেছিলাম আমি ওর জন্য এখানেই অপেক্ষা করবো। গ্রীষ্মের শেষ প্রান্তের পড়ন্ত বিকেল। ওর আসার সময় হয়ে গেছে। আয়নায় নিজেকে আরেকবার

আকাশ টা ঘুটঘুটে কালো হয়ে আছে। ক্ষণে ক্ষণে মেঘের গর্জন। দমকা হাওয়া বইছে। ঝুম বৃষ্টি হবে। বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ঋতু বর্ষাকাল । বৃষ্টি স্নাত সন্ধ্যায় তিলোত্তমা ঢাকা অপরূপ রূপে সজ্জিত।ভেজা রাস্তায় সোডিয়াম বাতি গুলোর প্রতিবিম্ব সোনালি স্পর্শ দিয়েছে। গাড়ি গুলোর হেডলাইটের আলো যুক্ত হয়ে শহরটি কে প্রাণ দিয়েছে। এই বৃষ্টিতেও অসংখ্য মানুষ রাস্তায়। কেউ ছাতা

আমার ২৩ বছরের জীবনে মানুষের আনাগোনা নেহায়েত কম। সাধারণত একা একা থাকতেই বেশ পছন্দ করি। কিন্তু মানুষ ছাড়া এ সামাজিক জীব কি বাঁচতে পারে? ছোটবেলা থেকে পড়ে এসেছি মানুষ সামাজিক জীব। তার চারপাশে রয়েছে নানা উপাদান। ইত্যাদি ইত্যাদি। ছোটবেলা বিনা দ্বিধায় মুখস্থ করতাম তবুও বাক্যগুলো বোধগম্য হতো না। ধীরে ধীরে বয়স বাড়তে থাকলে বুঝা শুরু

আমরা খ্যাতনামা সাহিত্যিক এবং জনপ্রিয় অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর বর্বর ছুরিকাঘাতের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আশা করছি উনি দ্রুততম সময়ে সুস্থ্য হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। জাফর ইকবাল বাংলাদেশে বিজ্ঞানমনষ্ক এবং প্রগতিশীল কিশোর সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা। স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে বিস্তর গবেষণা এবং প্রগতিশীল জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নে তাঁর অবদান আমরা সবাই জানি। তরুনদের নিয়ে তিনি

বাংলাদেশে সমকামিতা নিয়ে প্রথম বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণমূলক বই সমকামিতাঃ একটি বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ মনঃস্তাত্বিক অনুসন্ধান ছাপা হয় ২০১০ সালে শুদ্ধস্বর প্রকাশনী থেকে। সমকামিতা নিয়ে এটিই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কলেবরে ছাপানো কাজ। বাংলাদেশের যৌন এবং লিঙ্গ সংখ্যালঘু মানুষের মাঝে বইটি বিশেষ সাড়া ফেলে এবং সেই সাথে বইটির লেখক অভিজিৎ রায় পরিচিতি পেতে শুরু করে সমকামী জনগোষ্ঠীর মাঝে। অভিজিৎ রায়, যাকে

আজ ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার খেলা। টিভি তে লাইভ দেখানো হচ্ছে। বাসার সবাই বসারঘরে বসে খেলা দেখছে। আমি সবসময় ব্রাজিলের ভক্ত। কিন্তু আর্জেন্টিনা হারলেও আমার খারাপ লাগে। আমার এই কথা শুনে সবাই হয়তো আমাকে বলবে সুযোগ সন্ধানী । কিন্তু আমি আসলেই এমন নই। একসময় আর্জেন্টিনা ছিল আমার সবচেয়ে অপছন্দের দল। আমি খেলা দেখছি না। বাতি নিভিয়ে

আরম্ভে ব্যক্তিগত প্যাঁচাল ক্যুয়ের আর্ট কি বাংলাদেশ এ সম্ভব? এর অস্তিত্ব কি এখনো আছে – নব্য ইসলামী সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে? এমন প্রশ্নের মাঝে দাড়িয়ে যখন এই লেখা শুরু করেছি , তখন মাথায় আরেক প্রশ্ন গুঁতো মারে – বাংলাদেশ এর সামাজিক পরিকাঠামোতে ক্যুয়ের আর্ট এর প্রাসঙ্গিকতা কতখানি ? ঢাকাকেন্দ্রিক আর্টিস্ট , ইণ্টেলেক্ট দের ‘ই বা “ক্যুয়ের আর্ট

নগরবালক আসবার কালে কি জাত ছিলে? এসে তুমি কি জাত নিলে? কি জাত হবা যাবার কালে? সে কথা ভেবে বলো না। লালানসাঁই-এর বিখ্যাত গানের চরণ। যদি খুব সাধারণ ভাবে দেখি এই শব্দ গুলো, তবে শুধু একটা গান। তবে যদি প্রতিটা অংশের মর্মার্থ বোঝার চেষ্টা করি, তবে বিশাল এক প্রশ্ন, এক অর্থ লুকানো শব্দ গুলোতে। জন্মসূত্রে

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের, তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকার সম্পর্কে নিশ্চয়ই সবাই অবগত আছেন। এই ভাগে ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত সর্বমোট ২৩টি অনুচ্ছেদ আছে, সেখানে আমাদের মানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বর্ননা করা হয়েছে, মানে ফান্ডামেন্টাল রাইট্স অফ সিটিজেন এবং এই অধ্যায়ের ৩২,৩৪,৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০ ও ৪১ অনুচ্ছেদে নাগরিকের মানবাধিকার অর্থে মৌলিক অধিকার গুলো স্বীকৃতি প্রদান করা

দুবছর আগে, নববর্ষের শোভাযাত্রায় হেঁটেছিলাম রংধনু রঙে , সেদিন গেয়েছিলাম “আমরা করব জয় , আমরা করব জয় । বুকের গভীরে আছে প্রত্যয় আমরা করব জয় একদিন ।” ভীষণ এক উদ্দীপনা আর উত্তেজনার সেই নববর্ষ উদযাপনের রংধনু যাত্রায় আমরা স্বপ্ন দেখেছি হাতে হাত রেখে সমানাধিকার , স্বীকৃতি আর সমমর্যাদা নিয়ে বাঁচার । আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম এগিয়ে