
বাংলাদেশের সমকামী সমাজের অভ্যন্তরীন অনেক আলোচনার বিষয়ের মধ্যে অন্যতম “এলিট ক্লাস” | কিন্তু পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ বিষয়ে কেউই সরাসরি বা মুক্ত আলোচনায় আগ্রহী নয় | তবে এ বিষয়ে আলোচনার যে প্রয়োজন হয়েছে তাতে কারোরই কোনো দ্বিমত নেই | অভিধান অনুসারে, এলিট ক্লাস বলতে সচরাচর একটা ছোট গোষ্ঠীকে বোঝায় যারা কোন সমাজে তুলনামূলকভাবে অন্যদের থেকে

আজকের এই লিখাতে আমি বাংলাদেশে কুইয়্যার কমিউনিটির প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতার মূলে যাওয়ার চেষ্টা করবো। বাংলাদেশে আমরা যে যৌন সহিংসতা দেখি, তার মূল অন্তত দুই জায়গায়: প্রথমত, একটা কারণ একেবারেই স্ট্রাকচারাল বা কাটামোগত। বলতে চাচ্ছি, সাংবিধানিক ও আইনী কাঠামোতে কুইয়্যার কমিউনিটির উপর সহিংসতার শাস্তি কী হবে সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নাই। তারচেয়ে বড় কথা, দেশের

“হ্যাঁ, যেভাবে সাংগঠনিক কাজ করছি তা সেফ না। কিন্তু আমি ভয় পাই না। একদিনতো মরতে হবেই। কি জন্যে এখন ভয় করবো?” – নামহীন, গে সংগঠক, বাংলাদেশ, ২০২০ “Yes, the way we organize is not safe. But I am not afraid. We have to die one day. Why should I be afraid now?” – Anonymous, gay

Written By Charvaka Elie Wiesel once said, “There may be times when we are powerless to prevent injustice, but there must never be a time when we fail to protest.” Protesting can be of various forms and nature. One form of protest is to speak up, via different media, against the injustice itself and work

অন্যকথা একটি কুইয়্যার কালেকটিভ। এই কড়চায় আমরা বাংলাদেশ ও এই উপমহাদেশের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কুইয়্যার রাজনৈতিক ভাবনা, আলোচনা ও বিশ্লেষণের ক্ষেত্র তৈরী করতে চাই। কাজসমূহঃ ডিজিটাল কুইয়্যার অনিরাপত্তাকরণ আইন ২০১৮

You are so full of yourself your beauty your money your job your honey That’s all you care Is your world even fair? You think you are hot stuff You are looking down on other Acting as if universe cares about your shit Give it some more hour You will feel like Titanic When real

অনুভূতির গহীনে শব্দের আনাগোনা মুল্যহীন। আমরা সবাই আমাদের মত করে অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম বেছে নেই। কিন্তু আমাদের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, অভিজ্ঞতার পরিমাপ হিসেবে শব্দের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। শব্দের সাথে আবেগের মেলবন্ধনের এই যে প্রক্রিয়া, এর মধ্য দিয়ে নিজেকে জানা, নিজের সাথে বোঝাপড়া, অনুভূতির সরু অলিগলিতে যাতায়াত হয়ে ওঠে সহজতর। শব্দ আমাদের নিয়ে যায় এমন এক জগতে যেখানে

ক্লিনিকের বেডে তিথি শুয়ে আছে। তার তলপেটে এখনও ব্যথা করছে। যন্ত্রণায় সে দাঁতে দাঁত চেপে আছে।ক্লিনিকটা তিথির পরিচিত। এর আগেও সে এখানে অনেকবার এসেছে।ক্লিনিকটা সুন্দর। বেডের পাশের ফুলদানিতে এক গুচ্ছ গোলাপ ফুল রাখা। পুরো ক্লিনিক জুড়ে বাচ্চাদের হাসিমুখের ছবি ঝোলানো। ছবিগুলোর নিচে লেখা- দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলেই ভালো হয়।অন্য কোনো সময় হলে তিথি

ওর সাথে আমার দেখা হয়েছিল কাকরাইল মসজিদের সামনে একটা চায়ের দোকানে। সময়টা ২০১৮ সালের কোন একদিন। আমি ওখানে একটা টিউশনি করতাম।পড়ানো শেষে ছাত্রের বাসায় চা নাস্তা খেয়ে বেইলি রোড ধরে হাটতে হাটতে মেসে ফিরতাম। জীবনটা খুব রঙীন লাগতো। তেমনি একটা বৃষ্টির দিনে ওকে দেখলাম জুবুথুবু হয়ে ভিজতে। ইচ্ছে করে যে ভিজছে না বুঝতে পারছি। কিন্তু

Poet: Noor When love was the oceanI acted as shore.And soon I decidedI will not,anymore. Was okay as I wasNo traction, no amour.But something did happenThat I wasn’t longing for. I had fallen, I’d feelThat wasn’t the big dealA quick wave just bumpedThat I wasn’t hoping for. Was offered by lovewas on my full sensesEmbraced