
লেখকঃ অ্যাডোনিস স্টোন – এই তুষার আমার জায়গায় ব্যাগ রেখেছে কে? – নতুন ছেলে এসেছে একটা, ওকে নিষেধ করেছিলাম কিন্তু কথা কানেই নিলো না! – কোথায় মাল টা? বানাবো আজ শালাকে। – আছে হয়তো আশে পাশেই কোথাও। – আসুক শালা রুমে। বোঝাবো ভালো মতো অন্যের জায়গায় বসার পরিনতি। – আরে মামা নতুন এসেছে মাত্র। এখনই

Writer- Mohabbatjaan In the beginning of the construction of gender and sexuality. There were three hermaphrodites. Both with half male, half female. Then Zeus cut off two hermaphrodites and exchanged with each other. Two male parts as one complete Male and other one complete female. And they were told to complete each other with the

লেখক- রণ তোমাকে নিয়ে ভাবনাগুলো অজান্তেই কবিতা হয়ে যায়। তোমার প্রাণোচ্ছল হাসিটা সারাক্ষণ ভেসে থাকে চোখের তারায়। স্বপ্নে তোমার প্রশস্ত দুবাহুতে বাধা পড়ি বারবার। তোমার চোখে তাকালে আমি যেন ডুবে যাই এক সীমাহীন অতলে। কাঁচা-পাকা চুল তোমার যেন স্বর্গীয় দ্যুতি ছড়িয়ে মোহগ্রস্ত করে আমায়। এ এক অদ্ভুত ভালোবাসা আমাকে বাঁচিয়ে রাখে সারাক্ষণ। ভালো থেকো, সুখে

লেখক- সাঁঝ মৃত এক সময়ে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে সুখি থাকার চেষ্টা আর কত আমি আটকে থাকি তোমাতে, হয়তো তুমি অন্য কোথাও অথবা কোথাও না হয়তো তুমি পাখির মতো স্বাধীন, মেতে আছো সৃষ্টির উল্লাসে কে আমি তাতে বাধ সাধার, কেনই বা থেকে যায় শুধু শৃঙ্খল আর নিয়ম সবুজ আর প্রাণের নেশায় বুঁদ সীমা ভেঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার

১। -আমাদের কোম্পানি এখন অনেক লাভবান হয়েছে। সব আজ তোমার জন্য হয়েছে,My son!I’m proud of you.God Bless You my son.-Thank you, dad.তবে ক্রেডিট আমি একা নিব না।এখানে তোমারও ক্রেডিট আছে ড্যাড।তুমি আমাকে কোম্পানির কাজ না শিখালে আমি কিছুই জানতাম না। So,I want to give you a big thanks Dad.-It’s Alright,Nafis.I love you.-I love you too

চৈত্রদাহে ঘুম ভাঙেনি, উপরি ভোর রাত থেকেই প্রকৃতি বেশ ঠান্ডা মেজাজে আছেন আজ। বৃষ্টি ঝরছিলো কখন থেকে টেরও পাইনি। সকালে উঠি উঠি করেও উঠতে ইচ্ছে করছিলোনা, শরীরে ডালপালা মেলেছে রাজ্যের আলস্য। ঠিক করলাম, ‘আজ আমি কোথাও যাবোনা’। আহারে বৃষ্টি, কত শত স্মৃতি এই বৃষ্টি নিয়ে! এরকমই কোন একটা বৃষ্টিস্নাত ছুটির দিনে জুলহাজ ভাইয়ার ঘরে বসে

প্রথম পরিচয় সেই ২০১২ সালে। এরপর থেকে জুলহাজ ভাইকে আমি পেয়েছি আমার জীবনের প্রায় সব প্রয়োজনে। ব্যক্তিগত থেকে শুরু করে এলজিবিটি কাজ – প্রায় সব ব্যপারেই আমি তার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতাম। একজন এলজিবিটি ব্যক্তি হিসেবে আমাদের অধিকার নিয়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা, উৎসাহ আর সুযোগ আমি তার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম। জুলহাজ ভাইকে দেখেই আমি

“সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোনো শোনো পিতা। কহো কানে কানে, শুনাও প্রাণে প্রাণে মঙ্গলবারতা”॥ তনয় এর খুব পছন্দের একটি গান। প্রায়ই সে গুন গুন করে গাইত গানটি। যদিও ওর পছন্দের গানের তালিকা অনেক বড়। গান গাইতে বললেই শোনাত। ভণিতা করতো না অনেকের মতন। মূলত থিয়েটার বিষয়ক একটা কাজের সহায়তার জন্য তনয়ের সাথে আমার পরিচয় ২০১৩

আমরা জীবনের কোন না কোন সময় ‘আইডেন্টিটি ক্রাইসিস’ বা পরিচয়-হীনতায় ভুগি। আমিও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না। এক সময় ক্রাইসিসটা খুব ভুগাচ্ছিল আমায়। সেই সময়ে আমার পরিচয় হয় তনয়ের সঙ্গে। ২০১২ সালের দিকের কথা। তখন আমি প্রথম ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি আমার মতো অনেক সমকামী আছে ঢাকা শহরে। তারা একটি ভিন্ন নাম ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি

পরিচয় হয়েছিল ২ বছর হবে কিন্তু মনের মিলের কারণে সবসময় মনে হয়েছে দুজন দুজনকে চিনি বহু বছর। এটা ওনার একটা অসাধারণ গুণ ছিল। উনি নতুন কাউকে এমনভাবে বরণ করে নিতেন যেন মনে হত অনেক দিনের পরিচয়। জুলহাজ ভাইয়ের সাথে আমার অনেক ছোট-বড় স্মৃতি থাকলেও ২০১৬ সালের ১৪ই এপ্রিল আমার মনে থাকবে যতদিন বাঁচবো। উনার মৃত্যুর