
বাংলাদেশের বৈচিত্রময় লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়ের মানুষগুলোর জন্য ২৫ এপ্রিল একটি আতঙ্কের নাম। তিন বছরের বেশি সময় আগে ওই দিনে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের প্রথম সমকামী ম্যাগাজিন ‘রূপবান’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব রাব্বী তনয়কে। তারপর বিচারহীনতার দীর্ঘ ৩ বছর অতিবাহিত হলো। এই দীর্ঘ সময় আক্ষরিক অর্থে মুখ থুবড়ে পড়েছে বৈচিত্রময়

সমকামিতা বইটির ব্যাপারে কিছু বলুন। বইটি লেখার কথা মাথায় আসলো কখন? উত্তর: আসলে এ নিয়ে বই লেখার ইচ্ছে আমার প্রথম থেকে ছিল না। আমি নিজে একজন বিজ্ঞান লেখক। বিজ্ঞানের টুকিটাকি বিষয় নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বহু আগে থেকেই লিখতাম। সেসময় একটি ব্লগ-সাইটের পোস্টে একজন মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘সমকামিতা প্রাকৃতিক কোনোভাবেই হতে পারে না মূলত (নারী-পুরুষে)

প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সী নীলাভ সাহেবকে হয়তো আপনারা অনেকেই চিনবেন। দশ এগারো বছর হলো তিনি এই মফস্বল শহরের একটি স্বনামধন্য কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নীলাভ সাহেব বেশ বিপদে পড়েছেন। তার ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন বেশ চাপ দিচ্ছে বিয়ের জন্য। অন্তত বংশরক্ষার খাতিরে হলেও এবার নীলাভ সাহেবকে বিয়ে করাবেই। পঞ্চাশ বছর বয়সেও এমন সুদর্শন ব্যক্তি কেন বিয়ে করছে না

প্রিয় অঞ্জন , হঠাৎ আমার চিঠি পেয়ে খুব অবাক হয়েছ তাই না? তুমি নিশ্চয় আশা কর নি যে আমি তোমাকে চিঠি লিখবো। যেভাবে নিষ্ঠুর ভাবে তোমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছি তাতে চিঠি লেখা আমাকে মানায় না, তাই না? কেন ছেড়ে গেলাম তার স্বীকারোক্তি দিতেই চিঠি লেখা। বসে আছি জানালার ধারে। পাশ দিয়ে বয়ে চলছে টেমস নদী।

প্রিয় তনয়, কেমন আছ? তোমাকে অনেকদিন লিখব লিখবো করে শেষ পর্যন্ত লিখতে বসলাম। তুমি খুব চাইতে তোমাকে আমি চিঠি লিখি। কিন্তু সেই একবারই তোমাকে চিঠি লিখেছিলাম, মানে ইমেইল আর কি! আর সেই চিঠি -ই পরবর্তীতে অনেক সম্পর্কের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর তোমাকে লিখা হয়নি। এখন অনেক কিছুতেই আক্ষেপ লাগে। তোমার সাথে শেষ ভালোবাসা দিবস পালন

ফ্রান্সিস এস কলিন্স, যিনি প্রখ্যাত তার নিজ গুণে। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্টের চিফ সায়েন্টিস্ট, একজন গভীর ধর্মপ্রবণ খ্রিষ্ঠান। কিন্তু তবুও তিনি বিবর্তন তত্ত্বের গভীর সমার্থক। তিনি ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন আর সৃষ্টিবাদকে বাতিল করে দিয়েছেন। কিন্তু এই প্রখ্যাত জীববিজ্ঞানীকে নিয়ে ২০০৭ সালে একটা ঝামেলা বেধে গিয়েছিল। NARTH এর প্রেসিডেন্ট সমকামিতা জিনগত ভাবে নির্ধারিত নয়, এমন দাবী করে একটা আর্টিকেল লিখেন।

এই কয়দিন রনির কথা তেমন মনে পড়ে নাই। আসলে নিজের শরীরের চিন্তায় ছিলাম এই কয়দিন। আমি ঠিক করলাম পরেরদিন চলে যাবো। কিন্তু জামালের কথা ভাবতেই মন খারাপ যাচ্ছিলো। ওর সাথে আবার কবে দেখা হবে। সেই দিন রাতে জামাল আর আমি বসে আছি পুকুর ঘাটে। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ।জোনাকি পোকা জ্বলছে নিভছে। মিটিমিটি। কেউ নেই জায়গাটা নীরব।

আমরা বাংলাদেশিরা যে সামাজিক রীতিনীতি গুলো মেনে চলি, তার কিছুটা আমরা পেয়েছি আমাদের সংস্কৃতি থেকে, কিছুটা আমাদের প্রথা থেকে, কিছুটা বা আমাদের ধর্মথেকে, সবকিছু মিলে মিশে আমরা পূর্নাঙ্গ বাংলাদেশি। আমরা যেমন মঙ্গলশোভা যাত্রায় অংশনেই, তেমন প্রভাত ফেরিতে অংশ নেই, আবার তাজিয়ামিছিলেও আমাদের উপস্থিতি থাকে, আমরা যেমন শহীদ মিনারে, স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধানত শীরে দাঁড়াই, তেমনই দূর্গাপূজাঁ বা

He could see the other man waiting in his bedroom. It was a tantalising prospect. The honesty, the daring, the sheer illegality of the night-time encounter made the hairs on his arms stand up. He walked inside and reached behind him to close the door. His hand tightly gripped the handle. Quader was jolted out

যেদিন Universal Periodic Review (2013) এর রিপোর্ট বেরুলো সেদিন একটি অনলাইন পত্রিকায় রিপোর্টটি দেখছিলাম – পররাষ্টমন্ত্রী বলেছেন, “এলজিবিটি-দের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণ করা হবে। যৌন পরিচয়ের ফলে কেউ সহিংসতা কিংবা বৈষম্যের শিকার হলে তার বিপরীতে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্বভাবতই এই রিপোর্টের নিচের মন্তব্য গুলোতে নজর দিলাম। মনে হলো এদেশে একটি পারমাণবিক বোমা