
অভ্রলীকা শুষে নিয়ে প্রাণ তোমার প্রাণকেন্দ্রে তুমিই জড় করো সকল প্রতিলিপি সকল প্রমাণ কেচ্ছা বিশ্বাস সাহিত্য কিংবা শিল্প। ভাসমান জাহাজ তোমার শুদ্ধতার। যে পথে তুমি হেঁটেছো সত্যের সন্ধানে তার আঙ্গিকে আমার প্রতিপালক দাবী করো নিজেকে। দাবী করে সকলে। এমনকি সে সব প্রাণ যারা শোষিত হয় শাসিতের দুই আঙুলের ফাঁকে। বিশাল অক্ষরে লেখা আছে ভাসমান জাহাজ

Shira Nuren but you were a nonchalant Rapunzel matte black hair, sprawling across the cushions you tore but you waited for your thick tendrils to be chopped off; obeying the orders of the plaid shirt. but you extinguished the sheriff stache tickets to pedicures and manicures abound- but you showed off your furry arms ants

প্রেমিকা, তোমার শরীর আর টানে না আমায় গোসল শেষে ভেজা আধনগ্ন দেহের নাচানাচি, আঁটসাঁট জিন্সের ওপর ঢেউ তোলা নিতম্ব কিম্বা টিশার্টের গড়িমসিতে উঁকি দেওয়া বুক; আগের মতো উত্তাল হায়েনা করে তোলে না। খাবলে মাংস খাওয়া, রগে রগে আদিম যৌনতার প্রবল বিষ তবে শরীরের ক্ষুধা আর কতই বা? পেট ফুলে টইটম্বুর। এদিকে আমার মনে যেন ’৪৩

আমি তো আমাকে রেখেছি আড়ালে চাইলেও পারবেনা ছুঁতে দুহাত বাড়ালে। আমার গল্পে শুধু আমিই বিলীন রয়েছে আত্মসত্তা তাতে চির অমলিন। তুমি তো বোঝ মুদ্রিত চক্ষুনিদ্রিত রজনী আমি তো তখন আত্ম খোঁজে পিয়াসী গো সজনী। আত্মপরিচয় জ্ঞানে আমার জাগে পূর্ণ সাধ এভাবেই কেটে যায় কত বিনিদ্র রাত। তুমি তো হে থাকো সদা জৈবিকতায় মগ্ন আমি তখন

There is little more here than moving at the behest of this loving body Letting it absorb me, and tiny fragments of skin Moving from one moment’s house to another, Speaking only in an almost silent hum; always hoping I’m not being too loud in making my art. Always hoping I’m not being too loud.

অনেক দিন থেকেই কাছের খুবই কাছের বন্ধুটি বলছিল লেখা দাও একটা, কিছু একটা লিখ। সময়ই করে উঠতে পারছিলাম না। অবশেষে শেষ সময়ে এসে সময় বের করলাম। আমি এমনই করি। জীবনের সব কিছুতেই এসে শেষ মুহূর্তে আমি তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করি। আগে থেকে কিছুই ভাবি না। আর এই কারণেই জীবনে আজ অনেক কিছুর সামনাসামনি হচ্ছি।

ছোটবেলা থেকে আমি বেশ আবেগী ও অভিমানী ধাচের এবং এই ব্যাপারটা বুঝতে আমার যথেষ্ট সময় লেগেছে। এসএসসি পরীক্ষার পর আব্বুর কোনো একটা কথায় অনেক অভিমান হয়েছিলো, আবেগে একটা বাক্য লিখেছিলাম – “আমি আমার অস্তিত্বের সন্ধানে” সেদিন যেদিন আমি এই বাক্যটা লিখি অথবা নিজের মনের অজান্তে বাক্যটাকে অনুভব করি, তারপরও অনেক দিন পর্যন্ত ঘুণাক্ষরেও মনে হয়নি

রিকশায় করে বউকে নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছিল সবুজ। উল্টোদিক থেকে আসা একটা রিকশায় একটা মেয়ে, গায়ে ফিরোজা রংয়ের সালোয়ার কামিজ, কপালে টিপ, অর্নামেন্টসগুলোও ম্যাচিং করা। সব মিলিয়ে সাজ ও পোশাক খুব রুচিশীল। সবুজ মেয়েটির দিকে তাকাচ্ছে দেখে তার বউ টিয়া রেগে গিয়ে বললো ব্যাপার কি বলোতো? আমি পাশে বসে আছি আর তুমি আরেকটা মেয়ের দিকে হা

এক সহস্রাব্দের দ্বিতীয়ার্ধে এসেও আমাদের আঙুলের ফাঁক দিয়ে মৃত্যুব রণ করে নারীমানুষ। পাতা ঝড়ার ঠিক পর মূহুর্তেই আমরা অভিনন্দন জানাই নতুন অব্দের রাজাকে, পুরোনো নগ্নতায় যে নির্লজ্জের মত (মনে আছে এখনো আন্ডারসেন) ঘুরে বেড়াবে শহর জুড়ে। যারা যোনি থেকে যোনি সেলাই করে আধিপত্য, যারা কলহাস্যে কামড়ে খায় বাদী-বাদদের রগ, তাদের নতুনত্বের মাঝে আসতে পারে কেবল

He was famous for dying, For dying in a land that wasn’t his own, For being braver than he was or at least we think we know. When you talk to his mother now, She says she saw him on the scene He was the last one to die, she says He was the last