
গ্রাম জুড়ে ডামাডোল, বীণাপাণি অপেরার যাত্রা এসেছে। দলে দলে ছুটছে মানুষ; রাতের নেশায় বুঁদ হয়ে আছে সমস্ত গ্রাম। নিস্তব্ধ রাতে গ্রাম জুড়ে বেজে উঠে সানাইয়ের সুর, রাতের পর রাত ধরে চলে পালা বেহুলার ভাসান গান কিংবা বার দিনের শিশুর প্রেমে হাবুডুবুরত বার বছরের রূপবানের পালা। রূপবানের রূপে পাগল প্রায় সমস্ত গ্রাম পুরুষেরা ছুটছে রূপের পিছে

প্রবঞ্চণার স্বাধীনতা দিলি সেই সে একাত্তরে। স্বাধীনতা মোর খুন হয়ে গেছে তিনশো সাতাত্তরে! দেখ গিয়ে মা তিরিশ লাখে, আমিও ছিলাম ঝাঁকে ঝাঁকে। এ্যাকিলিস-রূপে অবতারি আমি তোর মুক্তির তরে। আমার বীরত্ব কেড়ে নিলো মা তিনশো সাতাত্তরে। তার আগে মাগো বায়ান্নোতে, তোরে দিনু ভাষা নিজ প্রাণান্তে। আমার ভাষা রুদ্ধ মাগো তিনশো সাতাত্তরে। আমার আত্মা বন্দী হলো মা

নিরাপত্তাহীন এই সমকামী প্রাইডের প্রয়োজন কার ? “বাংলাদেশে সমকামীদের আন্দোলন এবং গৌরব পদযাত্রা” নামে একটি প্রাইডের আয়োজনের কথা জানতে পারি ১৩ জুনে । আরও সঠিকভাবে জানার জন্য সেই ইভেন্টের লিঙ্কে গিয়ে জানতে পারলাম ২৮ জুন ২০১৯ ইং তারিখে TSC তে এই প্রাইডের আয়োজন করা হচ্ছে । আর এই প্রাইডের আয়োজক হচ্ছেন শাম্মী হক নামে জার্মান

অনেক গুলো হতাশাজনক খবরের মাঝে বেশ কয়েকটি আশাব্যঞ্জক খবর পাচ্ছি বিশ্বজুড়ে যেমন ইকুয়েডরের সর্বোচ্চ আদালত সমলিঙ্গের বিয়ে, আইনগত স্বীকৃতি প্রদান করেছে এবং ব্রাজিল হোমোফোবিয়াকে ফৌজদারী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব নিউজ যতই পড়ি ততই ভাবি বাংলাদেশে কবে এমন খবর শুনবো! তবে আমি বাংলাদেশে নিকট ভবিষ্যৎ-এ এমন কোনো নিউজ পড়বো বা শুনবো বলে মোটেই আশা করি না। রাষ্ট্র যখন দানবিক আচরণ রূপধারণ করে দেশেরআনাচে-কানাচে ত্রাসের একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে এবং তার সাথে যুক্ত হয়েছে মৌলবাদীরা তখন আমি কোনো আশাই দেখতে পাইনা। বাংলাদেশের বৈচিত্রময় লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়ের জনগোষ্ঠীর কাছে এই নিরাশার অন্ধকারের মাঝে

বাংলাদেশের বৈচিত্রময় লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়ের মানুষগুলোর জন্য ২৫ এপ্রিল একটি আতঙ্কের নাম। তিন বছরের বেশি সময় আগে ওই দিনে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের প্রথম সমকামী ম্যাগাজিন ‘রূপবান’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব রাব্বী তনয়কে। তারপর বিচারহীনতার দীর্ঘ ৩ বছর অতিবাহিত হলো। এই দীর্ঘ সময় আক্ষরিক অর্থে মুখ থুবড়ে পড়েছে বৈচিত্রময়

সমকামিতা বইটির ব্যাপারে কিছু বলুন। বইটি লেখার কথা মাথায় আসলো কখন? উত্তর: আসলে এ নিয়ে বই লেখার ইচ্ছে আমার প্রথম থেকে ছিল না। আমি নিজে একজন বিজ্ঞান লেখক। বিজ্ঞানের টুকিটাকি বিষয় নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বহু আগে থেকেই লিখতাম। সেসময় একটি ব্লগ-সাইটের পোস্টে একজন মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘সমকামিতা প্রাকৃতিক কোনোভাবেই হতে পারে না মূলত (নারী-পুরুষে)

প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সী নীলাভ সাহেবকে হয়তো আপনারা অনেকেই চিনবেন। দশ এগারো বছর হলো তিনি এই মফস্বল শহরের একটি স্বনামধন্য কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নীলাভ সাহেব বেশ বিপদে পড়েছেন। তার ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন বেশ চাপ দিচ্ছে বিয়ের জন্য। অন্তত বংশরক্ষার খাতিরে হলেও এবার নীলাভ সাহেবকে বিয়ে করাবেই। পঞ্চাশ বছর বয়সেও এমন সুদর্শন ব্যক্তি কেন বিয়ে করছে না

প্রিয় অঞ্জন , হঠাৎ আমার চিঠি পেয়ে খুব অবাক হয়েছ তাই না? তুমি নিশ্চয় আশা কর নি যে আমি তোমাকে চিঠি লিখবো। যেভাবে নিষ্ঠুর ভাবে তোমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছি তাতে চিঠি লেখা আমাকে মানায় না, তাই না? কেন ছেড়ে গেলাম তার স্বীকারোক্তি দিতেই চিঠি লেখা। বসে আছি জানালার ধারে। পাশ দিয়ে বয়ে চলছে টেমস নদী।

প্রিয় তনয়, কেমন আছ? তোমাকে অনেকদিন লিখব লিখবো করে শেষ পর্যন্ত লিখতে বসলাম। তুমি খুব চাইতে তোমাকে আমি চিঠি লিখি। কিন্তু সেই একবারই তোমাকে চিঠি লিখেছিলাম, মানে ইমেইল আর কি! আর সেই চিঠি -ই পরবর্তীতে অনেক সম্পর্কের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর তোমাকে লিখা হয়নি। এখন অনেক কিছুতেই আক্ষেপ লাগে। তোমার সাথে শেষ ভালোবাসা দিবস পালন

ফ্রান্সিস এস কলিন্স, যিনি প্রখ্যাত তার নিজ গুণে। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্টের চিফ সায়েন্টিস্ট, একজন গভীর ধর্মপ্রবণ খ্রিষ্ঠান। কিন্তু তবুও তিনি বিবর্তন তত্ত্বের গভীর সমার্থক। তিনি ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন আর সৃষ্টিবাদকে বাতিল করে দিয়েছেন। কিন্তু এই প্রখ্যাত জীববিজ্ঞানীকে নিয়ে ২০০৭ সালে একটা ঝামেলা বেধে গিয়েছিল। NARTH এর প্রেসিডেন্ট সমকামিতা জিনগত ভাবে নির্ধারিত নয়, এমন দাবী করে একটা আর্টিকেল লিখেন।