
জামালপুরে চারজন মেয়েকে সমকামিতার অভিযোগে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে – বুধবার সকালের এই খবর অনেকের সাথে আমিও জানতে পারি। খবর জানার পরের প্রতিক্রিয়া এরকম ছিলো যেন ঘুম থেকে উঠে কোনো দুর্ঘটনার সংবাদ পেলাম, এবং আমারই অনেক কাছের মানুষ এই দুর্ঘটনার কবলে পরে প্রচন্ড আহত হয়েছেন। একভাবে দেখলে ব্যাপারটা এরকম নয় কি? জামালপুরে ধনবাড়ি এলাকার কিশোরী

There is no excerpt because this is a protected post.

বর্তমান বিশ্বে আমাদের সমাজের সকল স্তরে ‘অন্ধত্ব’ মহামারী আকারে রূপ নিয়েছে। চারিদিকে জেঁকে বসেছে এই অন্ধত্ব! যেদিকে তাকানো যায়, সেদিকেই নেতৃত্বে অন্ধত্ব, দলে অন্ধত্ব; অন্ধত্ব আছে ব্যক্তিতে, কর্মস্থলে; পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে। মানুষের কথায় অন্ধত্ব, তাদের বন্ধুতে অন্ধত্ব। অন্ধত্ব সম্পর্কে, অন্ধত্ব বিচারে। বলা যায়, অন্ধত্বের দাপটে পুরো বিশ্বই যেনো আজ অসহায়। অন্ধত্বের কালো থাবাক্রমণে আক্রান্ত

(১) কথাসাহিত্যকে সাহিত্য সহজে স্থান দেয়নি, অনেক ধরণের কণ্টকপূর্ণ অগ্নিপরীক্ষা পাশ করেই কবিতা, নাটক ছাপিয়ে এখন দিব্যি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে কথাসাহিত্যকে আড়চোখে দেখা এখনও বন্ধ হয়নি। মধ্যবিত্ত শ্রেণির খাদ্য আর গরীবের সোনার হরিণ— ধনীদের কাব্যপ্রেমী মনোভাবকে কথাসাহিত্য প্রায়ই বুড়ো আঙুল দেখায়, তবে ক্ষমতার দাপটে হিমশিম না খাওয়া থেকে নিস্তারও পাওয়া যায় না। কথাসাহিত্যকে হেয় করার

ধীরে ধীরে আয়নার শরীরটা বদলে যেতে থাকে। কমনীয় নারী শরীরটার জায়গায় একটা মাংসল পুরুষালি দেহ দাঁড়িয়ে থাকে। চওড়া কাঁধ, শক্ত চোয়াল, ওষ্ঠের উপর পাতলা গোঁফের রেখা; ভরাট স্তন যুগল মিলিয়ে যায়, যোনির জায়গা দখল করে পুরুষাঙ্গ। শান্ত নিজের লোমশ হাত, পা, বুক স্পর্শ করে। লম্বা ভেজা চুলগুলো কায়দা করে পেছনে নিয়ে আটকে দেয়। তারপর মুগ্ধ

“এসব কী হচ্ছে রিফাত?” আচমকা চিৎকারে আমি আর রামিম দুজনেই চমকে উঠলাম। ঘরের ভেতর হঠাৎ রুহিকে দেখে ভয়ে আমাদের পায়ের তলার মাটি যেন সরে গেল। —ছি! ভাবতেও ঘেন্না হচ্ছে রিফাত তুমি আমার স্বামী। মেয়েদের মতো শাড়ি ব্লাউজ পরে আমার ভাইয়ের সাথে! ছি! রুহির কথা শুনে আমি মাথা নিচু করে রইলাম। ভয়ে হাত পা কাঁপছে আমার।

বেয়াদ্দপ মোরগটা যদি একটা দিনও একটু দেরি কইরা ডাকতো! আলো ফুইটা পারলো না। এহন তো আর ঘুমও আসবো না। এর’চে এহন কয়টা রুটি বেশি বেইলা রাখলে কাইলকা সকালে একটু গরামু বেশি সময় ধইরা। আনিকার বাপের তো একটা দিনও সকালে রুটি ছাড়া কিসু রুচে না। আরেক জ্বালা। “আম্মো— আজকে না যাই স্কুল?” “পত্যেকদিন এক প্যাঁচাল পারিস ক্যান?

গোলাপীতে শুধু বউ সাজা হবে নীল রঙ্গে হয় বেদনা ক্রুদ্ধ যোদ্ধা লাল অবতার, ওগো বধূ তুমি কেঁদোনা লম্বা চুলে লক্ষী সাজো, ঘর ভরা শুধু তুলসী নীল গোলাপীর দোদুল দোলায় সেই কবে থেকে দুলছি ছেলে হও দিদি ছেলে হও তুমি, তবেই না তুমি স্বার্থক প্যাঁচ দিয়ে শাড়ী, ঘোমটা তোলো গো,দুঃখ তোমার পার্থ এত কথা এসে জমা