
তন্ময় সরকার “The Imitation Game” এই চলচ্চিত্রটি আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক অ্যালান টুরিং এর জীবনী থেকে অনুপ্রাণিত।চলচ্চিত্রটিতে দেখানো হয়েছে,কিভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অ্যালান টুরিং গাণিতিক এলগরিদম, ইঞ্জিনিয়ারিং ও তখনো আবিষ্কার না হওয়া কম্পিউটার বিজ্ঞানের ধারণাকে ব্যবহার করে, বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের তথ্য আদান-প্রদানে ব্যবহার করা এনিগমা মেশিনের কোড ভেঙে সেসব তথ্য উদ্ধার করেন। তবে চলচ্চিত্রটিতে দ্বিতীয়

অনঙ্গ ঠাহরের জন্য একটা মুভি রিভিউয়ের প্রয়োজন বলে শুনলাম যখন, তখনই ঠিক করেছিলাম পুরুষ সমকামীদের নিয়ে তৈরি কোনো কাজের রিভিউই আমি আপাতত লিখতে বসছি না। এই ব্যাপারটা মাথাতে আপনাতেই চলে এসেছিলো। এমন নয় যে অনেক যুক্তি-প্রতিযুক্তি আর শলা-পরামর্শের পরে ঠিক করেছিলাম এমন সাহসী কিছু করার। কিন্তু ও মা এতে সাহসের কি রয়েছে? আলবাত আছে। আমি

কোমলগান্ধার সেই প্রথম বুঝতে পারা আমি ছেলে না মেয়ে, একটা ভুল শরীরে ভুল ভাবে বড় হচ্ছি। একদিন জানতে পারলাম ঈশ্বর নামক এক বুড়োর কাছে প্রার্থনা করে কিছু চাইলে সে তা দেয়। তারপরই শুরু হলো সেই বুড়ো ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা। সবসময় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতাম আমাকে মেয়ে বানিয়ে দাও ঠাকুর, আমিও অপাদি, বুনি আর বুনুর মতো

জয়ী ছোটবেলায় আমার নিজেকে খুব বড় ধরনের একটা হিপোক্রেট মনে হতো। আম্মুর কাছে, নানীর কাছে আল্লাহর মহত্ত্ব আর ধর্মীয় গল্প শুনতে শুনতে বড় হয়েছি আমি। সেই গল্পগুলো ছিল ভয় আর পুরস্কারের মিশ্রণ। ঠিকমতো নামায না পড়লে, আল্লাহ ও নবী রসূলের উপদেশ না মানলে কবরে ঠিক কয়টা সাপ কতভাবে কামড় দিবে সবকিছুই ঐ সময়ে মুখস্থ ছিল

অন্যস্বর কেইরা বেল একজন ব্রিটিশ কিশোরী, প্রাক বয়ঃসন্ধিকালে যে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে আবিষ্কার করে। অর্থাৎ শারীরিক ভাবে সে মেয়ে হলেও মানসিকভাবে সে নিজেকে ছেলে হিসেবে শনাক্ত করে। একসময় তার মনে হওয়া শুরু করে এই শরীরটা তার নিজের নয়। নিজের শরীরের লৈঙ্গিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে এই যে অস্বস্তিভরা অসন্তুষ্টি, এটাই অধুনা প্রচলিত “জেন্ডার ডিসফোরিয়া”। মোটাদাগে ট্রান্সজেন্ডাররা জেন্ডার

চোখের বালি জেন্ডার নন কনফার্মিং বিষয়টি নিয়ে আমরা খুব কম আলোচনা করি। এমনকি যারা জেন্ডার ননকনফার্মিং তাদের জার্নিটাকেও অনেক সময় ছোট করে দেখি, নিজের মনগড়া বক্তব্য চাপিয়ে দিই। একজন মানুষ যিনি কিনা জীবনের নানান সময়ে নানান ভাবে নিজেকে দেখছেন, রাখছেন সে নিশ্চয় লোক হাসানোর জন্য সেটি করছেন না! আমার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে যদি বলি,নিজের

ব্রাত্যজ্যন প্রতিভাবান সমকামী কিশোর হুবার্ট মিলেন (জেভিয়ার ডোলান) মন্ট্রিয়ালের শহরতলিতে আটকে থাকা একজন শৈল্পিক বোহেমিয়ান। মাকে ছেড়ে সহপাঠী ও প্রেমিক অ্যান্টোনিনের সাথে একটি অ্যাপার্টমেন্টে একসাথে থাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সে। এর পেছনের কারণটি হ’ল, মায়ের সাথে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন। সম্প্রতি তার মায়ের সাথে তার ক্রমাগত মতবিরোধ তাদের অন্তর্গত সম্পর্ককে এমন এক খাদের কিনারায় নিয়ে

নীনা গাঙ আমি জানি না, সবার ক্ষেত্রে গল্প একই কিনা। আমার কাজিন এবং আমার শৈশব-কৈশোরের একমাত্র বন্ধু কুসুম আপুর (ছদ্মনাম) ক্ষেত্রে যা ঘটেছে সেটিই বলি। প্রথমে বলব সবচেয়ে অসহনীয় দিক অর্থাৎ শারীরিক সম্পর্কের সময়টা কেমন চ্যালেঞ্জের। আপুর ভাষ্য মতে, শরীরের লোয়ার পার্টে একজন পুরুষের যেভাবে শিশ্ন জাগ্রত করার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়, নারীদের সেটা প্রয়োজন নেই। তারা

আ.আ ‘যে ভালোবাসে, তাহাকে ঘৃণা করার অপবাদ দেওয়ার মত গুরুতর শাস্তি আর নাই, এ কথা ভালোবাসাই বলিয়া দেয়’। শরৎচন্দ্রের কথা দিয়েই শুরু করি। আমার মনে হয় আমার এই ছোট জীবনে সত্যিকার অর্থে শুরু হয়েছে নিজের সত্ত্বা’কে স্বীকার করে। আসলেই কি তাই নাকি সব কিছু ভুল? আমার মধ্যে এত হতাশা কেন? ছবি তুলতে গেলেই সবার কষ্ট

এম ডি রহমান আলস্য দুপুর, টেবিলে বসে পা নাচাতে নাচাতে বই পড়ছি। ইদানীং প্রতিদিনকার রুটিন একই রকম ঘুম, খাওয়া, বই পড়া, মুভি দেখা আর ঘরের মেঝে পরিষ্কার করা৷ লকডাউনের এই সময়টাতে প্রতিদিনই আমি ঘরের মেঝে পরিষ্কার করি যা আগে একদমই করা হতো না। সারাদিন খুঁজেও আর কোন কাজ পাইনা৷ নানান বাহানায় দুইদিনে একবার বাসার বাইরে