
কোমলগান্ধার সেই প্রথম বুঝতে পারা আমি ছেলে না মেয়ে, একটা ভুল শরীরে ভুল ভাবে বড় হচ্ছি। একদিন জানতে পারলাম ঈশ্বর নামক এক বুড়োর কাছে প্রার্থনা করে কিছু চাইলে সে তা দেয়। তারপরই শুরু হলো সেই বুড়ো ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা। সবসময় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতাম আমাকে মেয়ে বানিয়ে দাও ঠাকুর, আমিও অপাদি, বুনি আর বুনুর মতো

জয়ী ছোটবেলায় আমার নিজেকে খুব বড় ধরনের একটা হিপোক্রেট মনে হতো। আম্মুর কাছে, নানীর কাছে আল্লাহর মহত্ত্ব আর ধর্মীয় গল্প শুনতে শুনতে বড় হয়েছি আমি। সেই গল্পগুলো ছিল ভয় আর পুরস্কারের মিশ্রণ। ঠিকমতো নামায না পড়লে, আল্লাহ ও নবী রসূলের উপদেশ না মানলে কবরে ঠিক কয়টা সাপ কতভাবে কামড় দিবে সবকিছুই ঐ সময়ে মুখস্থ ছিল

অন্যস্বর কেইরা বেল একজন ব্রিটিশ কিশোরী, প্রাক বয়ঃসন্ধিকালে যে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে আবিষ্কার করে। অর্থাৎ শারীরিক ভাবে সে মেয়ে হলেও মানসিকভাবে সে নিজেকে ছেলে হিসেবে শনাক্ত করে। একসময় তার মনে হওয়া শুরু করে এই শরীরটা তার নিজের নয়। নিজের শরীরের লৈঙ্গিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে এই যে অস্বস্তিভরা অসন্তুষ্টি, এটাই অধুনা প্রচলিত “জেন্ডার ডিসফোরিয়া”। মোটাদাগে ট্রান্সজেন্ডাররা জেন্ডার

চোখের বালি জেন্ডার নন কনফার্মিং বিষয়টি নিয়ে আমরা খুব কম আলোচনা করি। এমনকি যারা জেন্ডার ননকনফার্মিং তাদের জার্নিটাকেও অনেক সময় ছোট করে দেখি, নিজের মনগড়া বক্তব্য চাপিয়ে দিই। একজন মানুষ যিনি কিনা জীবনের নানান সময়ে নানান ভাবে নিজেকে দেখছেন, রাখছেন সে নিশ্চয় লোক হাসানোর জন্য সেটি করছেন না! আমার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে যদি বলি,নিজের

ব্রাত্যজ্যন প্রতিভাবান সমকামী কিশোর হুবার্ট মিলেন (জেভিয়ার ডোলান) মন্ট্রিয়ালের শহরতলিতে আটকে থাকা একজন শৈল্পিক বোহেমিয়ান। মাকে ছেড়ে সহপাঠী ও প্রেমিক অ্যান্টোনিনের সাথে একটি অ্যাপার্টমেন্টে একসাথে থাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সে। এর পেছনের কারণটি হ’ল, মায়ের সাথে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন। সম্প্রতি তার মায়ের সাথে তার ক্রমাগত মতবিরোধ তাদের অন্তর্গত সম্পর্ককে এমন এক খাদের কিনারায় নিয়ে

নীনা গাঙ আমি জানি না, সবার ক্ষেত্রে গল্প একই কিনা। আমার কাজিন এবং আমার শৈশব-কৈশোরের একমাত্র বন্ধু কুসুম আপুর (ছদ্মনাম) ক্ষেত্রে যা ঘটেছে সেটিই বলি। প্রথমে বলব সবচেয়ে অসহনীয় দিক অর্থাৎ শারীরিক সম্পর্কের সময়টা কেমন চ্যালেঞ্জের। আপুর ভাষ্য মতে, শরীরের লোয়ার পার্টে একজন পুরুষের যেভাবে শিশ্ন জাগ্রত করার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়, নারীদের সেটা প্রয়োজন নেই। তারা

আ.আ ‘যে ভালোবাসে, তাহাকে ঘৃণা করার অপবাদ দেওয়ার মত গুরুতর শাস্তি আর নাই, এ কথা ভালোবাসাই বলিয়া দেয়’। শরৎচন্দ্রের কথা দিয়েই শুরু করি। আমার মনে হয় আমার এই ছোট জীবনে সত্যিকার অর্থে শুরু হয়েছে নিজের সত্ত্বা’কে স্বীকার করে। আসলেই কি তাই নাকি সব কিছু ভুল? আমার মধ্যে এত হতাশা কেন? ছবি তুলতে গেলেই সবার কষ্ট

এম ডি রহমান আলস্য দুপুর, টেবিলে বসে পা নাচাতে নাচাতে বই পড়ছি। ইদানীং প্রতিদিনকার রুটিন একই রকম ঘুম, খাওয়া, বই পড়া, মুভি দেখা আর ঘরের মেঝে পরিষ্কার করা৷ লকডাউনের এই সময়টাতে প্রতিদিনই আমি ঘরের মেঝে পরিষ্কার করি যা আগে একদমই করা হতো না। সারাদিন খুঁজেও আর কোন কাজ পাইনা৷ নানান বাহানায় দুইদিনে একবার বাসার বাইরে

মনিকণ্ঠ তথাকথিত ধর্মীয় অনুভূতি এবং ব্যক্তিগত লিঙ্গ ও যৌন সত্তার মধ্যে দোটানায় পড়েননি এমন লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় ব্যক্তির সন্ধান প্রায় অসম্ভবই ব্যাপার। সাধারণত এই সংকটপূর্ণ অবস্থায় একজন ব্যক্তির তিনদিকে ধাবিত হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে, (১) ধর্মকে স্বীকার না করা (২)ধর্ম এবং লিঙ্গ বৈচিত্র্যতাকে একইসাথে ধারণ করা এবং (৩) নিজের লিঙ্গ ও যৌন বৈচিত্র্যময়তাকে অস্বীকার করার কথা

ঠরণà§à¦¯à¦°à¦¾à¦¤à§à¦°à¦¿ খুব সংক্ষেপে যদি বলা হয় ট্রান্সজেন্ডার মানুষের প্রতি নেতিবাচক ধারণা, অমূলক ভয় এবং ঘৃণা কে ট্রান্সফোবিয়া বলে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে জীবনের প্রতি ধাপে ধাপে ট্রান্সজেন্ডার মানুষেরা ট্রান্সফোবিয়ার শিকার হয়। আর সমস্ত পৃথিবীর দিকে তাকালে বলা যায় অনেক উন্নত দেশেও এখনো ট্রান্সজেন্ডার মানুষ রা অবহেলিত হচ্ছে এবং সমান অধিকার পাচ্ছে না। আমাদের দেশটা খুব রক্ষণশীল।