
নরএপিনেফ্রিন পশ্চিমা মিডিয়ায় অনেক আগে থেকেই কুইয়্যার জনগোষ্ঠীকে নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি হচ্ছে। তাদের কাজের ক্ষেত্র বড় এবং রক্ষণশীল নয়। তারা কানে কানে ফিসফিস করে কুইয়্যার কমিউনিটির গল্প বলেনা। তবে উপমহাদেশের মিডিয়ার চিত্র ভিন্ন। পাকিস্তানের জনপ্রিয় ‘HUM TV’ তাদের এক সাপ্তাহিক নাটকের একটি পর্বে এরকম সমকামী নারীর গল্প তুলে ধরেছিল। ফলাফল স্বরূপ, সেই চ্যানেলের প্রচার ৬

সন্দেহ নেই মনুষ্য হিসেবে আমরা পরিচয়ের বিভিন্ন মাত্রা ধারণ করি, বিশ্বাস করি, বা তা কখনো কখনো আরোপিত হলেও দিব্যি যেন আত্মজ করে ফেলি। চৈতন্যের বিজ্ঞানে আমরা এখনও ততটুকু অগ্রসর না হতে পারি, অন্তত এতটুকু আমরা সুনিশ্চিত হতে পারি যে পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন প্রাণী নই আমরা। ইতিহাসের যে মুহূর্তে, যে সামাজিক ডিসকোর্সগুলোর মাঝে আমাদের জন্ম তা অনেকাংশেই

Queer Visibility বা কুইয়্যার দৃশ্যতা নিয়ে কথা বলতে হলে আমাদের প্রথমেই জানতে হবে “What is visibility?”। দেখি আমাদের গুগল কি বলে। গুগল বলে, “The state of being able to see or be seen”৷ অর্থাৎ, কোনোকিছু দেখার বা দেখতে পাওয়ার যে অবস্থা সেটাই Visibility বা দৃশ্যতা। সুতরাং, একজন কুইয়্যার মানুষ তার নিজস্ব আত্মপরিচয় পাবলিকের প্রতি জানান

[এই লেখাটি মূলত বছর কি দু’বছর আগের লেখা। আগের লেখার সাথে খানিকটা সংযোজন-বিয়োজন করে আবারো লিখলাম ] রূপান্তরকামিতা এখন আর অজানা কোন বিষয় নয় সাধারণ মানুষের কাছে। টিভি, সংবাদপত্র, সিনেমা বা ফেসবুকের কল্যাণে সাধারণ মানুষদের অনেকেই এ ব্যাপারে কিছুটা হলেও জানেন। অবশ্য এও সত্য, ভুল জানেন বা বিরূপ ধারণা রাখেন তারচেয়েও অনেক বেশি মানুষ। সাহিত্যে

সেই গুহামানবদের আদিমযুগ থেকেই চিত্রকলা মানুষের মত কিংবা ভাবপ্রকাশের অনন্য মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। ভাষায় লিখে বা বলে যা প্রকাশ করা যায়না, সেটাই আমরা চেষ্টা করি ছবির মাধ্যমে অন্যের হৃদয়কে স্পর্শ করাতে। তাই যুগ যুগ ধরে মত প্রকাশের স্বাধীনতাই বলুন, কিংবা নিজের অস্তিত্বকে জানান দেয়ার আন্দোলনই হোক, ছবি এঁকে নিজের কথা তুলে ধরা একটি

অনলাইনে হাতেগোনা যে কয়টা জায়গা আছে যেখানে আপনি একজন এলজিবিটি+ (LGBTQIA+) এর সদস্য হিসেবে নিজের কথা অন্য অনেককে জানাতে পারবেন, এমন পেইজে/স্পেসে প্রতিনিয়তই কতিপয় বিশুদ্ধ হোমোফোবিক মানুষজনের দেখা পাওয়া যায়। তন্মধ্যে কয়েকজনের প্রোফাইল ঘুরলে মনে হবে হোমোফোবিয়াটা যেন তাদের নিজ পরিচয়েরই অংশ। তাদের বায়োতে “হোমোফোবিক/ট্রান্সফোবিক” লেখা, প্রোফাইলে কুখ্যাত ধর্ম-ব্যবসায়ীদের কথা-বার্তা, এন্টি-এলজিবিটি সম্পর্কিত পোস্ট/মিমস এবং আরো

প্রাক-ঔপনিবেশিক তাগালগ সমাজ এবং ফিলিপাইনের অন্যান্য অংশে দুটোর বেশি লিঙ্গের ধারণাটি স্প্যানিশদের আগমনের আগে থেকেই সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ভাবে গৃহীত ছিল। তৎকালীন সময়ে এমন ব্যক্তিদের উল্লেখ পাওয়া যায় যারা পুরুষের যৌনাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তবে সমাজে তাদের নারী হিসেবেই বিবেচনা করা হতো। মেয়েদের মতো পোশাক পরিধান এবং তাদের সাথে ক্ষেত বুনন ও চাষ করার সাথে

“ডাউন-লো” শব্দটি আমাদের অনেকেরই অপরিচিত, কিন্তু এটি আমাদের এই সুপরিচিত সমাজেই ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। ডাউন-লো বলতে মূলত এমন একটি অভ্যাসকে বোঝায় যেখানে একজন বিবাহিত পুরুষ বিবাহকালিন অবস্থায় থাকাকালিন অন্য একজন পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে কিন্তু নিজেকে বিষমকামি বা হেটেরোসেক্সুয়াল, তথাকথিত স্ট্রেইট দাবি করে! এটি আমাদের সমাজে হরহামেশাই ঘটে আসছে, কেউ হয়ত এটাকে

Queer culture in Bangladesh is often represented through a bisexual, gay, lesbian or trans lens. Not many are familiar with pansexuality or with the term even. Let’s break down how this ‘new’ identity differs from the familiar ones. What is pansexuality? Well, it obviously doesn’t mean that you’re attracted to pots and pans. Yes, it’s

সরস্বতী পূজোর দিন। কলকাতার কাছাকাছি এক সরকারি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটার। একে তো পূজোর দিনে ২৪ ঘণ্টা ডিউটি, তার ওপর পেশেন্টের এত চাপ। সবাই কাজ করে যাচ্ছি বটে, কিন্তু মেজাজ সবারই সপ্তমে। ট্রাফিক অ্যাক্সিডেন্টে লিভারে গুরুতর আঘাত পাওয়া একটা পেশেন্টের অপারেশন থেকে বেরিয়ে প্রমাদ গুনছি, ভোরের আগে অন্তত সব অপারেশন শেষ হবে তো! পরদিন সকাল