
Mira Roy On the worst nights, I hold on to your pictures, your smile immortalised in the faded slips of paper that were hidden away for the past three decades. I don’t remember ever meeting you. I don’t remember us ever telling each other our names, our lives, or our secrets. No, our lives had

মির্জা গিলগামেশ মাত্র সকাল দশটা, এখনই বাইরে যেন রোদের রূদ্রতাণ্ডব চলছে। জ্যৈষ্ঠের সকাল এতো দ্রুত পার হয়ে যায় যে রাস্তার কুকুরও পারলে অদৃশ্য হয়ে পড়ে, সূর্যদেবের হাত থেকে কারোরই যেন আর নিস্তার নেই। স্কুল কলেজে সব গ্রীষ্মের ছুটি, তাই আর দশটা মফঃস্বলের রাস্তার মতো সকাল সকাল ইউনিফর্মের দেখা নেই তবে অফিস আর বাজারগামী লোকের কমতি

চিন্ময়ের ইতিকথা আলোকসজ্জার মাঝে সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে একটি বাড়ি, আজ সেই বাড়ির উদর মানুষে পরিপূর্ণ। সবার মাঝে চাপা উল্লাস ও সীমাহীন ব্যস্ততা বিরাজ করছে। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হচ্ছে। সানাই বাজছে। কিছু কিশোরী নিজেদের সাতরঙে রাঙিয়ে সারা বাড়ি জুড়ে বাজাচ্ছে তাদের ঝুনুর ঝুনুর নুপূরের ছন্দ। কে যেন একজন চিৎকার করে বলে উঠলো, —বর আইছে, বর আইছে

জ্যোতির্ময় ধ্রুব হরিণটা দৌড়ুচ্ছে। ছুটছে কেবল। তিরতির করে কাঁপছে তার চোখের পাতা। বুক ওঠানামা করছে ঘনঘন। নাকের ডগায় জমেছে বিন্দু বিন্দু ঘাম। পিছে পিছে দৌড়ে আসছে সিংহ। দুজনের মাঝে দূরত্ব ক্রমেই কমছে। হরিণ একবার পিছু ফিরল। তার চোখে শংকামিশ্রিত দ্বিধা। সে ধরা দেবে কিনা বুঝতে পারছে না। মাঝে মাঝে এমন হয়। সিংহের হিংস্রতার মাঝেও সুখ

ঈশাণ শরদিন্দু —ভাই শুনছেন, এখান থেকে আলীবর্দীর মাজারে কি করে যেতে হয় জানেন? —খাজা আলীবর্দী? —হ্যাঁ। —মুন্সী খাজা আলীবর্দী? —সম্ভবত। —বাবা মুন্সী খাজা আলীবর্দী গণ্ডবপুরী? —হ্যাঁ, জানেন কি করে যেতে হয়? —না। চোখে মুখে প্রচণ্ড বিরক্তি নিয়ে পথচারী লোকটি চলে গেল। এমন উদ্ভট আচরণে আমি অবাক হই নি। ভুল আমারই। কানের লতিতে টোকা দিয়ে যে

অনু ইসলাম [এই গল্পের কাহিনী এবং সবগুলো চরিত্র সম্পূর্ণ কাল্পনিক । জীবিত বা মৃত কারো সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।] আয়নায় নিজেকে দেখছেন রাবেয়া সুলতানা। আজ শিপলুর দেওয়া একটা শাড়ি পরেছেন তিনি। এক বৈশাখে এই শাড়িটা উপহার দিয়েছিলেন শিপলু। সাদা তাতের শাড়িতে লাল কালো ছাপ। যখনই এই শাড়িটা পরা হতো শিপলু তার কপালে একটা লাল

সিনথিয়া —ভাইয়া, একটু শুনবেন? —না, না, এইখানে কোনো টাকা পয়সা হবে না। —সকাল সকাল কোত্থেকে যে এসে এসব উটকো ঝামেলা হাজির হয় বুঝি না আমি। একটুও অবাক হলো না সুইটি, এরচেয়েও বাজে ব্যবহার স্বাভাবিকই তার কাছে। তাই একটুও দমে না গিয়ে ফের জিজ্ঞাসা করলো, ভাইয়া এইটা নূতনযাত্রার অফিস না? আপনাদের একটা বিজ্ঞাপন দেখলাম লিটল ম্যাগ

ইরফান নিশো অপূর্ব জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। বাইরে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। বন্ধ জানালার কাচে বৃষ্টি ফোঁটায় ফোঁটায় গড়িয়ে পড়ছে। তোফায়েল সাহেব অপূর্বের কাঁধে হাত রাখতেই অপূর্ব চমকে উঠলো। তোফায়েল সাহেব মুচকি হেসে বললেন, চমকানোর কিছু নেই। আমি। আবহাওয়াটা বেশ ভালো তাই না অপূর্ব? এবার চলো যাই। অপূর্ব একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তোফায়েল সাহেবের পিছু পিছু

শৈলবালা দেবী বৃষ্টির রাত। চারদিকে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি ঝরছে। ঘুমিয়ে আছে পুরো এলাকাবাসী। টিনের চালে বৃষ্টির শব্দে এক মাদকতার সুর সৃষ্টি করছে। শো শো হাওয়ায় বৃষ্টির ছাট এসে নাকে মুখে লাগছে করিম মোল্লার। টিনশেড একটি আধাপাকা ঘরের দাওয়ায় রকিং চেয়ারে বসে আছেন তিনি। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। জানালার ফাঁক গলিয়ে একবার তাকালেন বিছানার দিকে। জবুথবু হয়ে শুয়ে আছেন

নিরালোকে দিব্যরথ বাম হাত খাওয়ার প্লেটে ধুলে যেই নালে উৎপন্ন সেই নালে শেষ, কখনও ধনী হবে না, আর চোখ হবে অন্ধ। রুটির বুক কামড়ে খেলে মায়ের অসুখ করবে। শনি-মঙ্গলবার নখ কাটা যায় না। শরীরের কোষ পুড়িয়ে দেবে। বুধ বারে নিষিদ্ধ, চামড়ায় সর্বত্রে শ্বেত দাগে ছেঁয়ে ফেলবে। রাতেও নিষিদ্ধ। ব্যত্যয়ে অর্থকষ্ট হবে। চন্দ্রগ্রহণ সূর্য গ্রহণের সময়