
I Sayed Her son, me, he lives twelve thousand eight hundred and ninety- seven kilometers away, in Turtle Island. Sometimes she wakes up at night and glides over to the room where he hasn’t breathed in seven years. She pulls out his jeans from the wardrobe, from the only drawer where all his abandoned possessions

মেঘ রাজ সাইমুন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করলাম। অফিস থেকে ছুটি নেওয়া ছিলো, তবুও যাচ্ছি। হয়তো ভালো লাগবে কিছুটা। শহরটাকে আজ কেমন জানি অপরিচিত লাগছে। এই চেনা রাস্তা। চেনা গলি। চেনা ফুটপাত। সব অচেনা। সকালে কিন্তু অচেনা ছিলো না এই শহর। এখন খুব অচেনা, অজানা মনে হচ্ছে। শহরের গড়াই মোড়ে সেই পরিচিত

অরিত্র হোসেন ‘কাবেরী নদী-জলে কে গো বালিকা?’ সরোজিনী মৃদু হাসল। অকস্মাৎ তার প্রত্যেকটি ইন্দ্রিয়তে আহ্লাদের জোয়ার তুলে দিয়ে লুকিয়ে গেল প্রিয় কবির প্রিয় গানের চরণ। পরের চরণগুলো মনে আসছে না কেন? সরোজিনী চমকে উঠলো! আজ সকালেই তৈরি হবার সময় গানটি কমপক্ষে পনেরো বার শুনেছে। ষোলবারের বেলায় বাড়ির সকলের হাসিঠাট্টার শিকার হয়ে লজ্জায় ক্যাসেট প্লেয়ার বন্ধ

শঙ্কর তারা নার্সারিতে যেয়েই মাহতাবের মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। ওর কাজের ঘরের দরজাটা হাট করে খোলা। ‘মিন্টু, মিন্টু’ বলে হাঁক পাড়তে পাড়তে ঘরে ঢুকল ও। মিন্টু পেছনের বাগানে গাছে পানি দিচ্ছিল। চিৎকার শুনে দৌড়ে এল তাড়াতাড়ি। —মামা ডাকছেন? —এই ঘরে কে ঢুকছিল? —আমি। ঠাস করে গালে এক চড় বসিয়ে দিল মাহতাব। —কদ্দিন কইছি হারামজাদা, আমারে

কৃষ্ণচূড়া হলের খাবার খেয়ে পেটের নানা রকম ব্যাধি বাঁধিয়ে ফেলেছে জামাল। গত সাড়ে তিন বছর যাবত সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের বাসিন্দা। মোটামুটি তিনবেলায়ই এই হল ঐ হল করে খাওয়া হয় তার। তাও সকালের নাস্তা দুপুরে, দুপুরের খাবার বিকালে আর রাতের খাবার রাতেই। ফলশ্রুতিতে তার পেটে জমেছে গ্যাস্ট্রিক। বুকে চিনচিন ব্যথা আর হল লাইফের বড়

বকুল আহমেদ গতকাল রাতে একটা আজব স্বপ্ন দেখলাম। দেখলাম আমি চব্বিশ বছরের জলজ্যান্ত পুরুষ শরীরের এই দিহান মীর্জা— সহসা যেন নারী হয়ে গেছি। স্বপ্নটা এরকম— আমি আমার অন্ধকার ঘরে শুয়ে আছি। ঘুম থেকে জেগে উঠবো উঠবো। গায়ের উপর থেকে তখনো কাঁথা সরাইনি। সময়টা খুব ভোর। আব্বু ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাবেন। বাহির ঘরের দরজা খোলার

(১) কথাসাহিত্যকে সাহিত্য সহজে স্থান দেয়নি, অনেক ধরণের কণ্টকপূর্ণ অগ্নিপরীক্ষা পাশ করেই কবিতা, নাটক ছাপিয়ে এখন দিব্যি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে কথাসাহিত্যকে আড়চোখে দেখা এখনও বন্ধ হয়নি। মধ্যবিত্ত শ্রেণির খাদ্য আর গরীবের সোনার হরিণ— ধনীদের কাব্যপ্রেমী মনোভাবকে কথাসাহিত্য প্রায়ই বুড়ো আঙুল দেখায়, তবে ক্ষমতার দাপটে হিমশিম না খাওয়া থেকে নিস্তারও পাওয়া যায় না। কথাসাহিত্যকে হেয় করার

ধীরে ধীরে আয়নার শরীরটা বদলে যেতে থাকে। কমনীয় নারী শরীরটার জায়গায় একটা মাংসল পুরুষালি দেহ দাঁড়িয়ে থাকে। চওড়া কাঁধ, শক্ত চোয়াল, ওষ্ঠের উপর পাতলা গোঁফের রেখা; ভরাট স্তন যুগল মিলিয়ে যায়, যোনির জায়গা দখল করে পুরুষাঙ্গ। শান্ত নিজের লোমশ হাত, পা, বুক স্পর্শ করে। লম্বা ভেজা চুলগুলো কায়দা করে পেছনে নিয়ে আটকে দেয়। তারপর মুগ্ধ

“এসব কী হচ্ছে রিফাত?” আচমকা চিৎকারে আমি আর রামিম দুজনেই চমকে উঠলাম। ঘরের ভেতর হঠাৎ রুহিকে দেখে ভয়ে আমাদের পায়ের তলার মাটি যেন সরে গেল। —ছি! ভাবতেও ঘেন্না হচ্ছে রিফাত তুমি আমার স্বামী। মেয়েদের মতো শাড়ি ব্লাউজ পরে আমার ভাইয়ের সাথে! ছি! রুহির কথা শুনে আমি মাথা নিচু করে রইলাম। ভয়ে হাত পা কাঁপছে আমার।

বেয়াদ্দপ মোরগটা যদি একটা দিনও একটু দেরি কইরা ডাকতো! আলো ফুইটা পারলো না। এহন তো আর ঘুমও আসবো না। এর’চে এহন কয়টা রুটি বেশি বেইলা রাখলে কাইলকা সকালে একটু গরামু বেশি সময় ধইরা। আনিকার বাপের তো একটা দিনও সকালে রুটি ছাড়া কিসু রুচে না। আরেক জ্বালা। “আম্মো— আজকে না যাই স্কুল?” “পত্যেকদিন এক প্যাঁচাল পারিস ক্যান?