
মন্দ্রপত্র-এর প্রথম সংখ্যা বের করে আনন্দে লাফালাফি করছি তা নয়। অনেকদিন ধরে, না না – অনেক বছর যাবত এমন ধরণের ছোট পত্রিকা বের করার লালনা-বাসনা করে আসছি, তারপর কতজনের কানে বুদ্ধিটি দিয়ে ঝালাপালাও করা হল, কিন্তু পত্রিকার ‘প’-এর দেখা কোন কালেই পাওয়া যায়নি। তাই এই মাসে জেদ করেই নিজ উদ্যোগেই সব করার সিদ্ধান্ত নিলাম। লে-আউট

নয়নতারা হাফিঠবাংলাদেশের প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌনবৈচিত্র মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য মন্দ্রের যে প্রচেষ্টা “ঠাহর” তাকে সাধুবাদ জানাই। মন্দ্রের এই প্রকাশনা অবশ্যই প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌনবৈচিত্র মানুষের মনের কথা, জীবনের কথা তুলে আনবে বলেই আমার ধরনা। এবার আসি ঠাহরের লেখা এবং অধ্যায় নিয়ে কিছু নিজস্ব মতামত বা বলতে পারেন ঠাহর পড়ে আমার অনুভুতির কথায়।

শৃঙ্গ বসিয়ে দিয়েছে যেন সিনায়। এত গভীর, এত ভারী যেন মুখ ফুটে দীর্ঘশ্বাসও বের হয় না। “খালি হু হু করে ভেতরে, হু হু!” কী শব্দ বসাবো জবানে? তালাবদ্ধ যে বুক, তার চাবি কি খুঁজে পাবে? জীবন প্রতারণা করে। কিছুই নিয়ন্ত্রণে নেই। জন্ম, শরীর, পরিবার, ধর্ম, কাল, জলবায়ু। এর মধ্যে আকৃতি প্রাপ্ত হই চারপাশ দ্বারা। প্রথম

সময়টা বর্ষাকাল। তখন আমি হাইস্কুলে পড়ি। কোনো এক ঝুম বৃষ্টির সকালে ভাইয়া অনেকটা ধমক দিয়েই আমাকে স্কুলের জন্য রেডি হতে বললো। বৃষ্টিমুখর দিনে কারইবা স্কুলে যেতে ইচ্ছে করে! ভাইয়া বয়সে আমার আট বছরের বড় বলেই হয়তো এমন ভাব করতো যেন আমার জীবনের ভালমন্দের দায়িত্ব একমাত্র তার! যেমন ভালো স্টুডেন্ট তেমন ভালো গান গায় আর ছবি

নানা ঘটনাবহুল সময়ের মধ্য দিয়ে মন্দ্র তৃতীয় বছর পূর্ণ করে চতুর্থ বছরে পদার্পণ করলো। বহুরৈখিক, বহুত্ববাদী, নারীবাদী, লৈঙ্গিক বহুত্ব, কুইয়ার বাস্তুতন্ত্র, রাজনৈতিক চিন্তা ইত্যাদি মতামত নিয়ে তথাকথিত উন্নয়ন ধারণার বিপরীতে সদর্পে টিকে থাকাটা কিছুটা হলেও কঠিন ছিলো। এই তিন বছর পরে আমাদের মনজাগতিক পরিস্থিতি অন্তত একটা জায়গাতে নিবন্ধিত হয়েছে বলে মনে করি আর সেটা হলো

Boidurzomoni “You are not approachable.” I really had a tough time digesting this sentence. So the problem is me? I didn’t know exactly what was happening to me, but I got triggered. I felt, I felt- it was better to sit in a knife and suffer. All of my life, I have blamed myself for

মুখবন্ধ ১৯৪৭ ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাল। এই বছরেই ব্রিটিশরা তাদের ২০০ বছরের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে তড়িঘড়ি করে ভারত ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৪৭ সালের ২ জুন লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশ ভাগ হয় ধর্মের ভিত্তিতে। হিন্দুদের জন্য ভারত আর মুসলমানদের জন্য পাকিস্তান নামে রাষ্ট্র গঠন করা হয়। স্যার রেডক্লিফ

“ওহ তাদের মধ্যেও এগুলো আছে!” – আমি লাইনটি পড়ে অবাক হয়ে অনেকক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আমি এক পর্যায়ে নিজেকে বিড়বিড় করে বললাম, “এই নিয়েও সন্দেহ?” বিস্মিত হবার কি আছে এই এক লাইন নিয়ে সেটার পুরো ব্যাখা দিচ্ছি- ধৈর্য ধরুন! সম্প্রতি আমি ‘Introduction to Queer Studies’ নামক এক বেসিক কোর্সে সহ-শিক্ষকতা করছি। মানুষজন কম নয়-

‘হাওর’ মানে হলো বৎসরের প্রায় অর্ধেক সময় জলমগ্ন হয়ে থাকা ভাটি অঞ্চল। পূর্ববঙ্গের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৭টি জেলায় হাওর অঞ্চলের অবস্থান হলেও, প্রায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জলবেষ্টিত অঞ্চলের জীবনযাত্রার অনন্য বৈশিষ্ট্যের জন্য বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের কেন্দুয়া, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ইত্যাদি অঞ্চলের নিম্নাঞ্চল ভাটি তথা হাওর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এই সমস্ত ভাটি অঞ্চলগুলো বৈশাখ মাসে ধান

সন্দেহ নেই মনুষ্য হিসেবে আমরা পরিচয়ের বিভিন্ন মাত্রা ধারণ করি, বিশ্বাস করি, বা তা কখনো কখনো আরোপিত হলেও দিব্যি যেন আত্মজ করে ফেলি। চৈতন্যের বিজ্ঞানে আমরা এখনও ততটুকু অগ্রসর না হতে পারি, অন্তত এতটুকু আমরা সুনিশ্চিত হতে পারি যে পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন প্রাণী নই আমরা। ইতিহাসের যে মুহূর্তে, যে সামাজিক ডিসকোর্সগুলোর মাঝে আমাদের জন্ম তা অনেকাংশেই